নাশকতায় অর্থায়নের জন্য তথ্য গোপন করে শ্রীপুরে জমি রেজিস্ট্রি!
THE REPORTER BD |
প্রতিবেদক:
দ্য রিপোর্টার বিডি
প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামীলীগ টানা ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গনআন্দোলনে পতন হলে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। পরে তাদের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে জাতীয়তা বাদি দল( বিএনপি )।
বিএনপি সরকার গঠন করলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও সরকার বিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। আর এসব কর্মসূচি ও কার্যক্রমে তৃনমুলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করলেও অর্থায়ন করছে দায়িত্বশীল সাবেক আওয়ামীলীগের নেতারা।
জানা যায়, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল জলিল তার মালিকানাধীন মুলাইদ মৌজাস্থ ৫.৮৫ শতাংশ জমি সম্প্রতি বিক্রয় করেন। ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে গোপনে কমিশনে সম্পাদিত দলিল পর্যালোচনা করে দেখা যায, দলিলে বেশকিছু তথ্য গোপন করে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ফাকি দেওয়া হয়েছে। দলিল লিখক( সনদ নং ৬৬৩ ) আনোয়ার হোসেন নিজে সনাক্তকারী হয়েও দলিলে উল্লেখ্য করেননি জমিতে থাকা স্থাপনার বিষয়। আবার মাওনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জমির মূল্য ২৯ লাখ টাকা দেওয়া হলেও প্রকৃত বাজারমুল্য প্রায় চার কোটি টাকা।
অন্যদিকে, জমি গ্রহীতা সাদ্দাম হোসেন একজন সরকারি চাকুরিজীবী হলেও দলিলে সরকারি শব্দটি ব্যবহার করেনি। যদিও নিয়মানুযায়ী সকল প্রমাণাদি দেখেশুনে সাব রেজিস্টার দলিল সম্পাদন করে থাকে। কিন্তু অতি গোপনে শ্রীপুর সাব রেজিস্টার সোহেল রানার যোগসাজশে রাজস্ব ফাকি দিয়ে এসএ ৩৫৩ ও আরএস ১৯১৪ দাগের জমির দলিলটি সম্পাদন করা হয়।
এবিষয়ে, দলিল লিখক ও সনাক্তকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি সাদ্দাম হোসেনের অনেক দলিল করি। আপনি কোনটার বিষয় বলছেন, আমি বুঝতে পারছিনা। আর দাতা গ্রহীতা যে তথ্য দেয় সেটাই আমি লিখি।
এবিষয়ে সাবরেজিস্টার সোহেল রানার সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।